বাচ্চার গায়ের রঙ ফর্সা করতে গর্ভাবস্থায় খান এই ৭টি খাবার

গ’র্ভবতী মহিলাদের স্বভাবতই খুব বেশি ক্ষুধা পায় এবং সেই সময়ে ঠিক মত খাওয়া দাওয়া করাটা আ’সলে তাঁদের জন্য খুব জরুরী।কেননা এই খাবার মায়ের সাথে সাথে শি’শুর জন্যও অনেক বেশি দরকারী। আমা’দের দেশের বেশির ভাগ মানুষই চান তাঁর অনাগত সন্তানের গায়ের রঙ যেন উজ্জ্বল হয়।বিশেষজ্ঞদের মতে খাদ্য নির্বাচনের উপর সন্তানের শ’রীরের বর্ণ কেমন হবে তা নির্ভর করে না, এটা নির্ভর করে তাঁর বাবা-মা এর কাছ থেকে যে জিন পেয়েছে তার উপর।

শুধুমাত্র ত্বকের সৌন্দর্যই কোন মানুষের একান্ত আকাঙ্ক্ষিত বি’ষয় ‘হতে পারে না। তাই গ’র্ভবতী মায়েদের উচিত একটি সু’স্থ্, মেধাবী ও স্বা’ভাবিক শি’শুর জ’ন্মের জন্য চেষ্টা করা। এজন্য পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পাশাপাশি নিজে’র জীবনাচরণের ইতিবাচক পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাস থাকলে বর্জন করা উচিত। ওজন নি’য়ন্ত্রণে রাখু’ন, খুব বেশি ওজন হলে প্রি ম্যাচিউর বেবির জ’ন্ম হয় যা বাচ্চার আইকিউ এর উপর প্র’ভাব ফে’লে।নিয়মিত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। এতে বাচ্চার ব্রেইন এর গঠন ও অন্যান্য অ’’ঙ্গের গঠনে সহায়তা করে। বিজ্ঞানীদের মতে গ’র্ভের শি’শু শুনতে পায় এবং সেই অনুযায়ী সাড়া দেয়।

গ’র্ভের শি’শুর সাথে কথাবলুন, গান করুন এবং ধ’র্মীয় বই ও বিখ্যাত মনীষীদের জীবনী পড়ুন।কিছু গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, গ’র্ভে থাকতে শি’শু যে কণ্ঠস্বর শুনেছে জ’ন্মের পর সেই কণ্ঠস্বর শুনলে শি’শু শান্ত হয়। আসুন জে’নে নেই গ’র্ভবতী অব’স্থায় যে খাবার গু’লো খেলে বাচ্চার বর্ণ ফর্সা ‘হতে পারে তার তালিকা১। জাফরান দুধ: অনেক মহিলা গ’র্ভবতী অব’স্থায় জাফরান দেয়া দুধ পান করে থাকেন। মনে করা হয় জাফরান গ’র্ভের শি’শুর গায়ের রঙ ফর্সা করে।২। নারিকেল: প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী নারিকেলের সাদা শাঁস গ’র্ভের শি’শুর বর্ণ ফর্সা করে। তবে গ’র্ভাবস্থায় অতিরি’ক্ত নারিকেল খাওয়া মোটেই স্বা’স্থ্য সম্মত নয়। খেতে পারেন, তবে পরিমিত।৩। দুধ: গ’র্ভবতী মহিলাদের দুধ পান করা অত্যাব’শ্যকীয়। দুধ শি’শুর শ’রীর গঠনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। প্রচলিত ধারণা মোটে দুধও ত্বকের রঙ ফর্সা ক’রতে সহায়ক।

৪। ডিম: প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী বিশ্বা’স করা হয় যে, যদি ফর্সা বাচ্চা চান তাহলে গ’র্ভাবস্থার দ্বিতীয় তিনমাসে ডিমের সাদা অংশ গ্রহণ করা উচিৎ।তবে সত্য এই যে গ’র্ভাবস্থায় নিয়মিত গোটা ডিম খাওয়া মায়ের জন্য খুব জরুরী। ডিমের অধিকাংশ পুষ্টি গু’ণ এর ক্সুমের মাঝেই থাকে। তাই কুসুম খাওয়া বাদ দেয়া চলবে না।৫। চেরি ও বেরি জাতীয় ফল: চেরি ও বেরি জাতীয় ফলে উচ্চমাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃ’’দ্ধি করে এবং ত্বকের ক্ষ’তি রো’ধ করে। তাই স্ট্রবেরি, ব্ল্যা’ক বেরি, ব্লু বেরি ইত্যাদি ফল খাওয়া হয় সুন্দর ত্বকের জন্য।৬। টমেটো: টমেটোতে লাইকো’পেন থাকে যা ক্ষ’তিকর আল্ট্রা ভায়োলেট রে এর বি’রু’দ্ধে যু’’দ্ধ করে সূর্যের আলোর ক্ষ’তিকর প্র’ভাব থেকে ত্বককে র’ক্ষা করে। বিশ্বা’স করা হয় যে, গ’র্ভাবস্থায় টমেটো খেলে বাচ্চার বর্ণ ফর্সা হয়।৭। কমলা: কমলা ভিটামিন সি সমৃ’দ্ধ তাই শি’শুর শ’রীর গঠনের জন্য অ’পরিহার্য। গ’র্ভাবস্থায় কমলা খেলে শি’শুর ত্বক ভালো হবে।

About alamin

Check Also

চুল পড়া বন্ধ করবে নিমের রস

নারীর দীঘল কালো চুলের প্রেমে পড়েছেন কবি- সাহিত্যিকরাও। রচনা করেছেন কবিতা, গান, উপন্যাস। তবে তাদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *