ছে’লেরা কেন বিবা’হিত ম’হিলাদের বেশী প’ছন্দ করে?

আমা’দের সকলের নিজের নিজের পছন্দের জিনিস আছে । সকলের পছন্দের জায়গা এক হয়ে থাকে না ।সবার পছন্দ আলাদা আলাদা রকমের হয়ে থাকে একটি সার্ভের মধ্যে দিয়ে জানা গেছে যে ছেলেরা কুমা’রি মে’য়েদের থেকে বেশী বিবা’হিত ম’হিলা মানে বৌদি দের সব থেকে বেশী পছন্দ করে থাকে ।

আর যুগের সাথে সব কিছু বদলে যাচ্ছে আর আজকাল কার ছেলেরা নিজের থেকে বড় ম’হিলাদের সাথে সময় কা’টানোর জন্যে সব সময় চেষ্টা করে থাকে ।

আর কিছুদিন আগে একটি কলেজে সার্ভের মাধ্যমে জানা গেছে যে ছেলেরা তাদের থেকে বড় মানে তাদের থেকে ব’য়সে বড় ম’হিলাদের বেশী পছন্দ করে থাকে তাদের সাথে সময় কা’টাতে চায় । আর এর বিপরীতে মে’য়েদের তাদের নিজের থেকে ব’য়স কম ছেলেদের বেশী পছন্দ করে থাকে ।আর এর কারন আছে …জানুন।আর এবার সকলের মনে একটাই প্রশ্ন জাগবে কেন ছেলেরা নিজের থেকে ব’য়সে বড় কোন ম’হিলাদের সব থেকে বেশী পছন্দ করে থাকে ।

আর কি এমন যেটা তদের এদের প্রতি এত আকর্ষণ ?আর কলেজে কিছু ছেলে জানিয়েছে কি জন্যে তাদের ব্যসে বড় ম’হিলাদের পছন্দ জানুন।আসলে বিবা’হিত ম’হিলারা অন্যের থেকে নিজের উপর ভরসা সব থেকে বেশী রাখে । আর একটি সার্ভের মাধ্যমে জানা গেছে বিবা’হিত ম’হিলারা অবাহিত ম’হিলাদের থেকে মা’নসিক দিক থেকে খুব স’ক্ষম হয়ে থাকে ।আর তাদের বিভিন্ন স’মস্যার সমাধান নিজেরা করে থাকে কারু সাহায্যের দরকার হয় না ।

আর অবিবা’হিত ম’হিলাদের থেকে বিবা’হিত ম’হিলাদের অনেক অ’ভিজ্ঞতা থাকে ।আর তারা অন্য সব ম’হিলাদের থেকে mature হয়ে থাকে ।আর তাদের সব কিছু ভেবে চিন্তে করে থাকে ।সব কিছুর মো’কাবিলা তারা নিজেরাই করে থাকে ,তাই ছেলেদের খুব পছন্দ বিবা’হিত ম’হিলাদের । আর ছেলেদের সেই সব ম’হিলাদের খুব পছন্দ যাদের নজর তাদের দিকে খুব কম হয়ে থাকে ।আর যারা তাদের সব কথায় তাদের মানা করে না আর তারা জানে তাদের থেকে ব’য়সে বড় ম’হিলারা তাদের ধোঁকা কম দিয়ে থাকে ।যেভাবে হোক তাদেরকে সহজে কোন বি’পদ থেকে উ’’দ্ধার করতে পারবে।

বিবা’হিত ম’হিলারা সব কথা খুলে বলতে পারে কোন কথা তাদের লুকানোর প্রয়োজন হয় না ।আর তাদের মনে যা কিছু থাকে তারা সব কিছু খুলে বলে দিয়ে থাকে ,ফলে আর কোন স’মস্যা তাতে যেন না সৃষ্টি হয়ে থাকে সেই কথায় ভাবে ।আর তারা তাদের ,মন কোন রকম চিন্তার মধ্যে রাখে না ।অতিরিক্ত জনসংখ্যা যে পৃথিবীর সবথেকে বড় স’মস্যা সেটা বোঝার এখন সময় এসেছে। একটু ভু’ল বললাম, তাই না? সময় ৫০ বছর আগেই এসে চলে গেছে! জনসংখ্যা যে হারে বৃ’’দ্ধি পাচ্ছে তাতে আগামী ২০৫০ নাগাদ খাদ্য, জল, বাসস্থানের স’মস্যা অবস্যম্ভাবি।

এই জনসংখ্যা বৃ’’দ্ধির হার কমানোর জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত গ’র্ভনিরোধ প’দ্ধতি। আধুনিক বিজ্ঞানের দৌলতে জ’ন্ম নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন প’দ্ধতি আবি’ষ্কৃত হয়েছে, তার মধ্যে থেকে নিজের পছন্দমত বেছে নিয়ে নিশ্চিন্তে যৌ’’নসু’খ অনুভব করুন ও ধরিত্রীর বোঝা কমাতে একটু সহযোগিতা করুন। এই পোস্টে জ’ন্ম নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পন্থা সম্মন্ধে আলোচনা করা হল। ১) কন্ডোম – জ’ন্ম নিয়ন্ত্রণ করার সবথেকে সহজ, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য উপায় হল কন্ডোম বা নিরোধ ব্যবহার। কন্ডোম পুরু’ষ ও ম’হিলা উভ’য়ের জন্যেই পাওয়া যায়। তবে পুরু’ষ কন্ডোম ব্যবহার অ’পেক্ষাকৃত সহজ। সঠিক উপায় কন্ডোম ব্যবহার করলে

পুরু’ষ কন্ডোমের সফলতার হার প্রায় ৯৮%। পুরু’ষ কন্ডোম উ’ত্তেজিত লি’’ঙ্গে পড়ানো হয় এবং ম’হিলা কন্ডোম স’’ঙ্গ’মের পূর্বে যো’নির মধ্যে প্রবেশ করানো হয়। কন্ডোম ব্যবহার করলে বী’র্য ওর মধ্যে আ’টকে যায় এবং সরাসরি যো’নির সংস্পর্শে আসে’না।ফলে গ’র্ভসঞ্চার হয় না। কন্ডোম সাধারণত ল্যাটেক্স, পলিইউরেথিন বা নাইট্রাইল নামের পদার্থ দিয়ে তৈরি।পুরু’ষ কন্ডোমের বাইরের গায়ে লুব্রিকেশন লাগানো থাকে। প্রয়োজন হলে আলাদাভাবেও অতিরিক্ত লুব্রিকেন্ট কন্ডোমে লাগানো যায়।

তবে উল্লেখ্য যে ল্যাটেক্স কন্ডোম ব্যবহারের সময় তেল বা তেল দিয়ে তৈরি লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা উচিৎ নয়, কারণ ল্যাটেক্স তেলে দ্রবিভূ’ত হয়ে স’’ঙ্গ’মের সময় কন্ডোম ছিড়ে যেতে পারে। তার বদলে জল দিয়ে তৈরি বিশেষ লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা উচিৎ। কন্ডোম সম্প’র্কে আরেকটি গু’রুত্বপূর্ণ কথা হল যে একসাথে একটির বেশি কন্ডোম ব্যবহার করা উচিৎ নয়। তাতে কন্ডোম ছিড়ে যাব’ার বা খুলে যাব’ার সম্ভাবনা অনেক বৃ’’দ্ধি পায়।

একথা এজন্যে বললাম কারণ দেখা গেছে অনেক ব্যক্তি বেশি সুরক্ষা পাবার উদ্দেশ্যে একসাথে দুটি কন্ডোম পড়ে নেয়। উল্লেখযোগ্য যে অন্যান্য সমস্ত জ’ন্ম নিয়ন্ত্রণ প’দ্ধতির তুলনায় কন্ডোমের একটি বিশেষ সুবিধে হল যে জ’ন্ম নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও কন্ডোম ব্যবাহার করলে যৌ’’নরো’গের হাত থেকেও বাঁচা যায়।২) পিরিওডের নিরাপদ সময় – পিরিওডের র’ক্তক্ষরণ শুরু হওয়ার দিন থেকে প্রথম সাত দিন ও শেষ সাত দিন যৌ’’নস’’ঙ্গ’ম করলে গ’র্ভধারণের সম্ভাবনা কম থাকে। তাই ওই সময়কে যৌ’’নস’’ঙ্গ’মের নিরাপদ সময় হিসেবে ধ’রা হয়।

তবে এই শর্ত কেবল সেইসকল না’রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য যাদের পিরিওড নি’য়মিত ২৮ দিন (বা নি’য়মিত ২৬ থেকে ৩১ দিন) অন্তর অন্তর হয়। এদের ক্ষেত্রে রজস্রাব শুরু হওয়ার দিনকে প্রথম দিন ধরে গু’ণতে থাকলে মো’টামুটি ১২ থেকে ১৯ তম দিনে ডিম্বাণু নির্গমণ হয়।ডিম্বাণু ওভিউলেশনের পর প্রায় ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা জীবিত থাকে এবং স্ত্রী জননতন্ত্রে বী’র্যস্খলনের পর শুক্রা’ণু ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে।তাই পিরিওডের স’প্তম থেকে ২১ তম দিন পর্যন্ত স’’ঙ্গ’ম করলে গ’র্ভধারণের সম্ভাবনা বেশি।

পিরিওডের বাকি দিনগু’লো, প্রথম থেকে স’প্তম ও ২১ তম দিন থেকে পুনরায় রজস্রাব শুরু হওয়ার দিন পর্যন্ত যৌ’’নস’’ঙ্গ’মের নিরাপদ সময় হিসেবে গন্য করা হয়। মনে রাখবেন যে র’ক্তক্ষরণ শুরু হবার দিনকে প্রথম দিন ধরেই কিন্তু।উপরোক্ত হিসেব দেওয়া হয়েছে। এসম্মন্ধে বিশদে জানতে পিরিওড সংক্রা’ন্ত এই পোস্ট দেখু’ন। তবে উল্লেখযোগ্য যে পিরিওডের কোন দিনই প্রকৃত নিরাপদ দিন নয়। উপরিউল্লিখিত নিরাপদ সময়ে সে’ক্স করলেও গ’র্ভধারণের স্বল্প হলেও কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়।

কাজেই অ’পর কোন জ’ন্ম নিয়ন্ত্রণের উপায়, যেমন কন্ডোম বা পিল ব্যবহার করাই শ্রেয়। কারণ যাদের পিরিওড অনি’য়মিত বা ২৮ দিনের থেকে অনেক কম তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু উপরোক্ত হিসেব প্রযোজ্য নয়।উপরন্তু যৌ’’নরো’গের সম্ভাবনা সব সময়েই থাকে। তাই ক্যাসুয়াল সে’ক্স বা বিবাহবহিঃর্ভুত সে’ক্স করার সময় জ’ন্ম নিয়ন্ত্রণ করার এই প’দ্ধতির উপর কখওনই নির্ভর করা উচিৎ নয়। এই প’দ্ধতি শুধুমাত্র সেইসকল দম্পতিদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য যারা হয়তো এখওনই বাচ্চা-কাচ্চা চান না।

কিন্তু নেহাৎ হয়ে গেলেও কোন অসুবিধা নেই) গ’র্ভনিরোধোক বড়ি – ম’হিলাদের ব্যবহারযোগ্য জ’ন্ম নিয়ন্ত্রণ করার একটি উপায় হল গ’র্ভনিরোধোক বড়ি। এগু’লো মূ’লত ইস্ট্রোজেন-প্রজেস্টেরন হরমোনের বড়ি।ওইসব বড়ি খেলে ওভিউলেশন বা ডিম্বাণু নির্গমন হয় না। ফলে গ’র্ভসঞ্চারের সম্ভাবনাও থাকে না। দু’ধরনের বড়ি পাওয়া যায় – একটিতে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন দুটোই থাকে এবং অ’পরটিতে শুধু প্রোজেস্টেরন থাকে। দুটোই গ’র্ভসঞ্চার রোধে সমান কার্যকরী, কিন্তু প্রথম বড়িটি কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

যেমন স্ত’ন্যদায়ী ম’হিলা এবং এমন ম’হিলা যাদের র’ক্তবাহে র’ক্ত তঞ্চনের সম্ভাবনা বেশি, ইত্যাদি। উভ’য় বড়িই পিরিওডের সময় অতিরিক্ত র’ক্তক্ষরণ এবং ব্যাথা বা কমায়। গ’র্ভনিরোধোক বড়ি নি’য়মিত খেতে হয়। যেসকল বড়িতে কেবল প্রোজেস্টেরন থাকে তাদের প্রত্যহ একটি নির্দিষ্ট সময়ে খেতে হয়।তবে গ’র্ভনিরিধোক বড়ি খেতে শুরু করার পর প্রথম স’প্তাহে তার সাথে অন্য কোন কার্যকরী গ’র্ভনিরোধ (জ’ন্ম নিয়ন্ত্রণের) প’দ্ধতি ব্যবহার করা উচিৎ। কারণ ওই সকল বড়ির প্রভাব কার্যকরী ‘হতে কিছুটা সময় লেগে যায়।

উল্লেখ্য যে গ’র্ভনিরোধোক বড়ি খাওয়া শুরু করার পূর্বে ডাক্তারের সাথে পরামর’্শ করা উচিৎ। যৌ’’নতা নিয়ে নিজের মনোভাব প্রকাশ করলেন ২৪ বছরের এক মা’র্কিন তরুণী। মূ’লত ছেলেদের চেয়ে মে’য়েদের কাছে সে’ক্স অনেক গভীর আবেদনের এবং আবেগময় বি’ষয়। এর পেছনের কারণ উদ্ভাবনের চেষ্টা করেছেন গবেষকরা।সম্প’র্কের বাঁধ’ন – নরের স’’ঙ্গে না’রীর সম্প’র্কের নানা স্তর রয়েছে। সম্প’র্কের দীর্ঘসূত্রিতা নির্ভর করে তাদের মধ্যকার নানা আবেগীয় লেনদেনের ও’পর।

না’রী তার স’’ঙ্গীর প্রতি চ’রমভাবে দু’র্বল হয়ে তাকে নিজের জীবনের অংশ করতে যৌ’’নতায় লি’’প্ত হয়। নিজের কামনা বাসনা এবং যাব’তীয় সবকিছু না’রী উজাড় করে দেয় স’’ঙ্গীর কাছে। কিন্তু নতুন পুরু’ষের কাছে নানা দ্বিধা-দ্ব’ন্দ্বে থাকেন না’রীরা। তাই একেবারে আপন করে নিতেই না’রীরা স’’ঙ্গ’ম করেন।সম্প’র্ক বি’ষয়ক সুসান কুলিয়াম বললেন, পশ্চিমে তত্ত্বীয়ভাবে যেকোনো না’রী যেকোনো পুরু’ষের স’’ঙ্গে সে’ক্স করতে পারেন। অনেকে তা করেন।

কিন্তু আমর’া এখনো জানিনা এই না’রীদের কী দৃষ্টিভ’ঙ্গীতে দেখা উচিত। না’রীদের মধ্যে যৌ’’ন উ’ত্তেজনা রয়েছে, তবে অতিমাত্রায় নয়। যার রয়েছে তিনি মা’নসিকভাবে অ’সুস্থ। তবে একজন পুরু’ষকে ভালোবেসে তার স’’ঙ্গে জুটি গড়ার ক্ষেত্রে যৌ’’নতা উপভোগ্য হয়ে ওঠে না’রীর কাছে।মা’নসিক সু’খ – না’রীদের যৌ’’নতার ব্যাপারে যদি সমাজ অনিশ্চিত থাকে, তবে না’রীরা কিভাবে নিজেদের নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নিরাপদ বোধ করবে? বহু মন্তব্য না’রীদের যৌ’’ন আকাঙ্খাকে ভিন্ন দিকে পরিচালিত করে।

না’রীরা পুরু’ষদের শুধুমাত্র আপন করে নিতেই নয়, তার জৈবিক চা’হিদার তৃ’’প্তিকর অনুভূ’তিও আশা করেন।‘রিরাইটিং দ্য রুলস’ গ্রন্থের লেখক ও সম্প’র্ক বি’ষয়ক থেরাপিস্ট মেগ বার্কার বলেন, যৌ’’নতায় না’রীরা দারুণ সু’খ আশা করেন। কিন্তু বিছানায় পুরু’ষদের বেশি সতর্ক থাকতে হয় তৃ’’প্তিকর করতে। কারণ বর্তমান যুগে যৌ’’নতায় না’রীদের সু’খই বেশি প্রাধান্য পায়। যৌ’’নতা এখন না’রী কেন্দ্রিক – এক স্বাধীন যৌ’’নকর্মী জানালেন, আমি সম্প্রতি খেয়াল করেছি, আমা’র কাছে যেসব পুরু’ষ আসেন তারা যেনো নিজেদের জন্য আসেন না, তারা আসেন আমাকে খুশী করতে।

আজ থেকে বিশ বছর আগে যখন আমি আয়ারল্যান্ডে থাকতাম, তখন দেখেছি না’রীরা সে’ক্স করতো পুরু’ষদের খুশি করার জন্য। কিন্তু এখন যৌ’’নতা এখন না’রীকেন্দ্রিক হয়ে গেছে।সুসান কুলিয়ামও এ বি’ষয়ে একমত। তিনি বললেন, যৌ’’নতা এখন মে’য়েদের গেম হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো স্রেফ খেলা হিসেবে মনে করে না না’রীরা। বার্কার বলেন, আমর’া এখনো যৌ’’নতা নিয়ে খুব হালকাভাবে জানি। গত বছর এক জরিপে দেখা যায়, অনেক না’রী তার যৌ’’নস’’ঙ্গীর সংখ্যা বাড়িয়েছে এবং আ’শঙ্কার বি’ষয় তারা যৌ’’নতা নিয়ে নানা স’মস্যায় রয়েছেন।

আসলে মিডিয়ার কল্যাণে আমর’া ভাবি সে’ক্স না জানি কতো মজার বি’ষয়। আসলে মে’য়েদের কাছে সে’ক্স এমন এক বি’ষয় যেখানে মন-মা’নসিকতা চ’রম পর্যায়ে থাকে। এটা সম্প’র্ক এবং সু’খের গভীরতম এক প্রক্রিয়া। যৌ’’নতা নিয়ে দৃষ্টিভ’ঙ্গী এ বি’ষয়ে না’রী-পুরু’ষের সামান্য ভু’ল ধারণা অনেক স’মস্যা বয়ে আনতে পারে। অনেকেই সে’ক্স সম্প’র্কে সামান্য জেনে এবং অনিশ্চয়তা নিয়ে এ কাজে জড়িয়ে পড়েন।

আর এ স’মস্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনাতেও অভ্যস্ত নন অনেকে। তবুও এ কাজ করতে গেলে যদি স’মস্যা মনে করে থাকলে অনেকে বন্ধুদের স’’ঙ্গে আলাপ করেন। এ ধরনের স’মস্যা না’রীদের খুব বাজে মা’নসিক অবস্থা তৈরি করে দেয়। কিন্তু পুরু’ষদের কাছে তেমন স’মস্যা নয়। তাদের যেনো তাগিদ থাকে না’রীকে সু’খী করা। কিন্তু না’রীদের কাছে সম্প’র্কের গভীরতা এবং দৈহিক আ’নন্দের চ’রম উৎকর্ষতা।

About alamin

Check Also

একস’ঙ্গে টমেটো ও শসার সালাদ খেলেই মা’রা’ত্মক বিপ’দ!

শসা ও টমেটোর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয় সালাদে। তবে জা’নেন কি? লাল-সবুজে’র এই যুগলবন্দি মুখের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *